Loading...
You are here:  Home  >  কলকাতা  >  Current Article

আই এফ এ কতটা অপদার্থ, ফের বোঝা গেল

By   /  May 6, 2015  /  No Comments

দেবায়ন কুণ্ডু

একে একে সব ঘরোয়া টুর্নামেন্টকেই কবরে পাঠাচ্ছে ফেডারেশন। আর তাতে তাল মেলাচ্ছে আই এফ এ। এবার নতুন সংযোজন আই এফ এ শিল্ড। শতাব্দীপ্রাচীন শিল্ডের জৌলুশ এমনিতেই গত কয়েকবছর ধরে অনেকটা কমে এসেছে। লগ্লি সংস্থাগুলি পাততাড়ি গোটানোর পর থেকে তেমন স্পন্সরও পাওয়া যাচ্ছে না। আর স্পন্সর পেতে গেলে যে পেশাদারি দক্ষতা দরকার, আই এফ এ কর্তাদের তা নেই।

কয়েকদিন আগেই ফেডারেশন কাপ বন্ধ করে দিয়েছে এ আই এফ এফ। যুক্তি ছিল, এতে নাকি খেলোয়াড়রা ক্লান্ত হয়ে পড়ছেন। কিন্তু যাঁরা ভারতীয় ফুটবলের একটু খোঁজখবর রাখেন, তাঁরা জানেন, মূলত আই এস এল কর্তাদের দাবিতেই বন্ধ করা হল এতদিনের ঐতিহ্যবাহী ফেড কাপ। ক্লাবগুলি থেকে তেমন বাধাও এল না। সবাই প্রায় নিঃশব্দেই মেনে নিলেন এমন একটা ফতোয়া।

ifa shield

এবার আই এফ এ শিল্ড। আই এফ এ ঘোষণা করেছিল, এই প্রতিযোগিতায় সিনিয়রদের খেলানো হবে না। অনূর্ধ্ব ১৯ পর্যায়ের এই প্রতিযোগিতায় ম্যাঞ্চেস্টার, আর্সেনাল, বার্সিলোনার মতো বিদেশি দলকে আনা হবে। তখনই বোঝা গিয়েছিল, আই এফ এ যা ভাবছে, তা বাস্তবে সম্ভব হবে না। আই এফ এ যে কতটা অপেশাদার, আবার বোঝা গেল।  কোনও দলের সঙ্গে কথা না বলেই এতবড় একটা ঘোষণা করে দিলেন। অথচ, এখন আই এফ এ-র দাবি, কোনও বিদেশি দলকেই আনা যাবে না। সবাই নাকি খুব ব্যস্ত।

এইসব দলের কখন কী খেলা চলে, তা নিয়ে কোনও খোঁজখবরই রাখা হয়নি। কোনও পেশাদার এজেন্সির সঙ্গে কথা হয়েছিল বলেও মনে হয় না। মর্জিমাফিক ঘোষণা করে দিয়েছিলেন আই এফ এ কর্তারা। যেন ম্যাঞ্চেস্টার, বার্সিলোনা হল পাড়ার ক্লাব। আই এফ এ ডাকবে, আর তারা ধন্য হয়ে নাচতে নাচতে কলকাতায় চলে আসবে।

একসঙ্গে এই সব ক্লাবকে না হয় আনা গেল না। তাই বলে একটি দলকেও আনা গেল না ? আই এফ এ এতখানি ব্যর্থ হবে, এতটাও ভাবা যায়নি। ফলে,  যুবভারতী তো দূরের কথা, পাড়ার মাঠও ভর্তি হবে না। মেরেকেটে জনা পঞ্চাশেক দর্শক হবে। এইসব দলের খেলায় মিডিয়াও আসবে বলে মনে হয় না। দু একটি কাগজে চল্লিশ পঞ্চাশ শব্দের রেজাল্ট ছাপা হবে। আই এফ এ কর্তারা সেমিনারে বলবেন, ‘মিডিয়া ফুটবলকে গুরুত্ব দেয় না। তাই স্পন্সর এগিয়ে আসে না।’

ifa shield2

এই অপদার্থ কর্তাদের ভরসায় কোন স্পন্সর এগিয়ে আসবে ? কেনই বা এগিয়ে আসবে ? এমন গুরুত্বহীন ম্যাচে মিডিয়াই বা কেন আসবে ? এই আই এফ এ শিল্ড জয় সম্পর্কে বলা হয়, ‘ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনকে একধাপ এগিয়ে দিয়েছিল মোহনবাগান’। ১৯৩৪-৩৮ টানা পাঁচবার বিদেশি দলকে হারিয়ে শিল্ড জিতেছিল মহমেডান স্পোর্টিং। এই সব বীরত্বের কাহিনী ঘুরত রূপকথা হয়ে। এমনকি বছর তিনেক আগেও তবু কিছুটা জৌলুশ ছিল।

অবশেষে, তাকে পাড়ার টুর্নামেন্টে নামিয়ে আনতে সক্ষম হলেন আই এফ এ কর্তারা। এ দেশের ফুটবল নিয়ে এরপরেও আমরা স্বপ্ন দেখি!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

thirteen − 5 =

You might also like...

land phone

এভাবে মজা করা ঠিক হয়নি

Read More →
game of thrones season 7 episode 1 game of thrones season 7 watch online game of thrones season 7 live streaming game of thrones season 7 episode 1 voot voot apk uc news vidmate download flipkart flipkart flipkart apk cartoon hd cartoonhd cartoon hd apk cartoon hd download 9Apps 9Apps apk