Loading...
You are here:  Home  >  ওপেন ফোরাম  >  Current Article

ঋতব্রত, ভুল জায়গায় চিঠি লিখলেন

By   /  February 20, 2017  /  No Comments

নন্দ ঘোষের কড়চা

ঋতব্রতর কত গোপন শত্রু আছে, এখন টের পাওয়া যাচ্ছে। এতদিন যারা তাঁর ছবি দেখলে পরম আনন্দে লাইক দিতেন, এখন তাঁরাই কিনা মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন!‌ শুধু তাঁকে নয়, কথা শুনতে হচ্ছে বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যকেও। নির্যাসটা এরকম, এর জন্য বুদ্ধবাবুই দায়ী। ওই পাকা ছেলেটাকে রাজ্যসভায় পাঠানোর কী দরকার ছিল।
ঋতব্রতকেও বলিহারি। কোথায় কী চিঠি লিখতে হয়, সেটাই এখনও শিখলেন না। আরে বাবা চিঠিই যদি লিখবি, তাহলে ওই কোম্পানির এইচ আর সেকশনে কেন লিখলি?‌ লেখার আরও কত জায়গা ছিল।
শোনা যাচ্ছে, যে ছেলেটি ফেসবুকে ঋতব্রত সম্পর্কে প্রশ্ন তুলেছিল, সেও নাকি বামপন্থী। ঋতব্রত নাকি তাঁকে চিনতেনও। তাই কোন কোম্পানিতে ছেলেটি কাজ করে, বেছে বেছে তার ঠিকানা জোগাড় করে পরম আনন্দে একখানা চিঠি পাঠিয়ে দিলেন। ভাবখানা এমন, দ্যাখ কেমন দিলাম, আর আমার সঙ্গে লাগতে আসবি?‌

ritabrata2
যত দিন যাচ্ছে, এই যুব সাংসদ ক্রমশ বেরসিক হয়ে যাচ্ছেন। আরে বাবা, ওই ছোকরা কেন এসব কথা লিখল, সেটা কেউ ভেবে দেখল না। সবাই রাজনীতির রঙ মিশিয়ে দেখতে লাগল। নানা ব্যাখ্যা উগরে দিতে চাইল। ওরে বোকা, ছেলেটা সিপিএম না তৃণমূল, এ জিজ্ঞাসে কোন জন। কে জানতে চায় তার রাজনৈতিক পরিচয়?‌ মোদ্দা কথা হল, ছেলেটি মোহনবাগানের নাকি ইস্টবেঙ্গলের?‌
বাপু, তুমি সাংসদ হয়ে, এত ব্যস্ততা ফেলে শুধুমাত্র ডার্বি দেখবে বলে শিলিগুড়ি উড়ে গেছ। বসেছ মোহনবাগানের গ্যালারিতে। তুমি মোহনবাগানের গ্যালারিতে বসবে, ফেসবুকের দেওয়ালে ছবি খাঁচাবে, ইস্টবেঙ্গলিদের তো রাগ হবেই। পেন কত দামী, ঘড়িটা কোথাকার, এগুলো তুচ্ছ ব্যাপার। মোদ্দা কথা তোর বাপু ওই গ্যালারিতে আদিখ্যেতা করে বসার কী দরকার?‌ সেই ছোকরা রয়েছে সুদূর বেঙ্গালুরুতে। প্রিয় ক্লাবের খেলা দেখতে হয়ত আসতে পারেনি, রাগ তো হবেই। তুমি এম পি বলে উড়ে গেলে, আর সে তথ্যপ্রযুক্তি কর্মী বলে, অফিসে ছুটি পেল না বলে, আসতে পেল না। না হয় সেই কারণেই একটু খোঁচা দিল।
সে কোন অফিসে কাজ করে, এটা জানার কোনও দরকারই ছিল না। খোঁজ নেওয়া যেত, সে কোন ক্লাবকে সমর্থন করে। যদি প্রোফাইল দেখে মনে হয় ইস্টবেঙ্গল, তাহলে ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের চিঠি দিতে পারতেন। যদি দেখা যেত সে মোহনবাগানের, তাহলে না হয় অঞ্জন মিত্রকে চিঠি লিখতেন। জানেন তো, অঞ্জন মিত্র এসব চিঠি লিখতে খুব ওস্তাদ। তিনি একসময় প্রচুর চিঠি লিখেছেন। যাঁরা চিঠি লেখেন, তাঁরা চিঠি পাওয়ারও প্রত্যাশা রাখেন। কিন্তু মুশকিল হল, কর্নেলের মতো অঞ্জনকেও কেউ চিঠি লেখে না। আপনার সঙ্গে অঞ্জন মিত্রর কত সুন্দর চিঠি চালাচালি শুরু হত। এই হোয়াটসঅ্যাপের বাজারেও কত সুন্দর হারিয়ে যাওয়া পত্র মিতালি ফিরে আসত।
কমরেড, কিছুই বুঝলেন না। শুধু পার্লামেন্টে ভারি ভারি ভাষণ দিলে হবে!‌ চিঠি লেখা খুব সুন্দর অভ্যেস। কিন্তু কাকে লিখতে হয়, সেটাও জানতে হয়। ভুল জায়গায় লিখেছো। নাও, এবার ঠ্যালা সামলাও।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

three × 2 =

You might also like...

taxi

হাওড়া স্টেশন নিয়ে প্রশাসনের হেলদোল নেই

Read More →
game of thrones season 7 episode 1 game of thrones season 7 watch online game of thrones season 7 live streaming game of thrones season 7 episode 1 voot voot apk uc news vidmate download flipkart flipkart flipkart apk cartoon hd cartoonhd cartoon hd apk cartoon hd download 9Apps 9Apps apk