Loading...
You are here:  Home  >  কলকাতা  >  Current Article

নতুন কিরীটীর জন্য অপেক্ষা করাই যায়

By   /  January 8, 2017  /  No Comments

ফেলুদা, ব্যোমকেশের পাশে কতটা জায়গা করে নিতে পারলেন কিরীটী রায় ?‌ কতটা সাবলীল চিরঞ্জিৎ ?‌ কোথায় খটকা ?‌  ‌ছবি দেখে সেইদিকে আলো ফেললেন সংহিতা বারুই।। 

 

প্রথমেই বলে রাখা ভাল, নীহাররঞ্জন গুপ্তর ‘‌সেতারের সুর’‌ কখনও পড়া হয়নি। এমনকি কিরীটী রায়ের কোনও গল্পই পড়িনি। ফেলুদাও পড়েছি সোনার কেল্লা দেখার পর। ব্যোমকেশ পড়েছি নয়ের দশকে টিভিতে সিরিয়াল দেখার পর। আগামীদিনে হয়ত কিরীটী রায়ও পড়ব। নিছক সিনেমাটা দেখব বলেই গিয়েছিলাম। দেখার পর মনে হল, হ্যাঁ, এবার সত্যিই কিরীটী রায় পড়া উচিত।

আগেও কিরীটী রায়কে নিয়ে সিনেমা হয়েছে। সম্ভবত আগের বছরই, ইন্দ্রনীল সেনগুপ্ত করেছিলেন কালো ভ্রমর। দেখার তেমন তাগিদ অনুভব করিনি। কিন্তু চিরঞ্জিৎ কিরীটী করছেন শুনেই দেখার ইচ্ছে হল। কোনও সন্দেহ নেই, ফেলুদা, ব্যোমকেশের আসনে স্বচ্ছন্দেই বসানো যায় কিরীটী রায়কে। পরিচালককে অনুরোধ, এখানেই থেমে না গিয়ে এই সিরিজের আরও কয়েকটা ছবি হোক। চিরঞ্জিৎকেও অনুরোধ, দরকার হলে অন্যান্য ছবি ও রাজনীতির ব্যস্ততাকে সরিয়ে তিনিও আগামী কিরীটী রায়ের ছবি নিয়ে ভাবতে শুরু করুন।

kiriti-roy

পরিচালক অনিকেত চট্টোপাধ্যায় নানা মজার ছবি করেছেন। সেগুলো কিছুটা একই ছাঁচের হয়ে যাচ্ছিল (‌ব্যতিক্রম শঙ্কর মুদি)‌। এই ছবি পরিচালক হিসেবে তাঁকেও কিছুটা পায়ের তলায় শক্ত মাটি দেবে। পাঁচের দশকের সেই সময়টাকে সুন্দরভাবে তুলে ধরেছেন। কখনও পোস্টারে, কখনও স্লোগানে, কখনও উত্তম–‌সুচিত্রার উপমায়, যে যেমন ভাষা বোঝেন। গোয়েন্দাদের সহকারিরা সাধারণত একটু বোকা বোকা হয়ে থাকেন। কিন্তু এখানে সহকারি সুব্রত (সুজন মুখার্জি)‌ বেশ স্মার্ট। জটায়ু নেই। কিন্তু কমিক রিলিফ হিসেবে ইনস্পেক্টর কৌশিক গাঙ্গুলি রয়ে গেছেন। তিনি যে কত বড় জাত অভিনেতা, তা এই ছবিতে আবার বুঝিয়ে দিলেন। আর চিরঞ্জিৎ তো লার্জার দ্যান লাইফ। এই চরিত্রে অন্য কাউকে ভাবা যাচ্ছে না। চরিত্রটি সত্যিই প্রাণ পেয়েছে চিরঞ্জিতের হাত ধরে। এই চরিত্রটি যেমন ব্যাক্তিত্ব ও বুদ্ধিমত্তার দাবি রাখে, চিরঞ্জিৎ ঠিক সেটাই দেখিয়েছেন। তবে চিত্রনাট্য কোথাও কোথাও কিছুটা দুর্বল মনে হয়েছে। কোথাও কোথাও অহেতুক জটিলতার আশ্রয় নেওয়া হয়েছে, যা ঠিক বিশ্বাসযোগ্য নয়। কোনও কোনও দৃশ্য অহেতুক দীর্ঘায়িত হয়েছে, যার সঙ্গে তদন্তের তেমন সম্পর্কই নেই। সবচেয়ে আজগুবি লাগল শেষ দৃশ্যটা। বৃষ্টির মাঝে একজন সেতার বাজাচ্ছেন, পাশে বসে একজন শুনছেন, কিন্তু দশ–‌বারো ফুট দূরেই ফটফটে রোদের দৃশ্য। রোদ আর বৃষ্টি এত কাছাকাছি?‌ এমন অনেক খুচরো খটকা আছে। তবু মোটের উপর ছবিটা ভাল। পরের ছবির জন্য অপেক্ষা করাই যায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

five + 13 =

You might also like...

radio3

না বোঝা সেই মহালয়া

Read More →
game of thrones season 7 episode 1 game of thrones season 7 watch online game of thrones season 7 live streaming game of thrones season 7 episode 1 voot voot apk uc news vidmate download flipkart flipkart flipkart apk cartoon hd cartoonhd cartoon hd apk cartoon hd download 9Apps 9Apps apk