Loading...
You are here:  Home  >  জেলার বার্তা  >  উত্তর বঙ্গ  >  Current Article

ভিক্টরের মামলায় কাল ফের মুখ পুড়তে পারে রাজ্যের!

By   /  April 9, 2015  /  No Comments

বেঙ্গল টাইমস প্রতিবেদনঃ আদালতে প্রায়ই ভর্ৎসনার শিকার হতে হচ্ছে রাজ্য সরকারকে। কাল ফের তিরস্কারের মুখে পড়তে পারে রাজ্য সরকার।

পাবলিক সার্ভিস কমিশন ও রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে জনস্বার্থের মামলা করেছেন রাজ্যের তরুণতম বিধায়ক আলি ইমরান (ভিক্টর)। আগামীকাল সকালে প্রধান বিচারপতির এজলাসে সেই মামলার শুনানি।

পাবলিক সার্ভিস কমিশনের নানা অনিয়ম নিয়ে এই মামলা। ফরওয়ার্ড ব্লকের এই তরুণ বিধায়ক নিজেও একজন আইনজীবী। তিনি নিজেই এই মামলার পিটিশনার। সম্প্রতি ডব্লু বি সি এসে পাবলিক সার্ভিস কমিশনের মেধাতালিকা প্রকাশ হয়েছে। মেধা তালিকায় সামনের দিকে নাম থাকা সত্ত্বেও বেশ কিছু কৃতী ছাত্র-ছাত্রীকে নিয়োগ পত্র দেওয়া হয়নি। তাঁদের রেজাল্টের পাশে লেখা হয়েছে, ‘পুওর ইন বেঙ্গলি।’

high court1

 

১৯৬১-র ক্যালকাটা গেজেট থেকে শুরু করে বিধানসভার নথিপত্র, পিএসসি-র নোটিফিকেশন থেকে মেধাতালিকা, সবকিছু সংগ্রহ করেছেন এই তরুণ বিধায়ক। তাঁর দাবি, সরকার নিজের তৈরি আইন নিজেই মানছে না। ২০১২ তে এই সরকার ‘ওয়েস্ট বেঙ্গল অফিসিয়াল অ্যাক্ট, সেকেন্ড অ্যামেন্ডমেন্ড পাস করিয়েছিল। যেখানে সরকার পরিষ্কার বলেছিল, কোনও এলাকায় যদি দশ শতাংশের বেশি উর্দু, হিন্দি, নেপালি, সাওতালি, পাঞ্জাবি বা অন্য ভাষার মানুষ বাস করেন, সেক্ষেত্রে তাঁর ক্ষেত্রে সেই ভাষাকেই সরকারি ভাষার মর্যাদা দেওয়া হবে। এমন ১৮ টি এলাকার কথা ফিরহাদ হাকিম বিধানসভায় ঘোষণা করেছিলেন। যেমন আমার বিধানসভা কেন্দ্রে অধিকাংশ মানুষের মাতৃভাষা উর্দু। স্বাভাবিকভাবেই তাঁরা বাংলায় কিছুটা দুর্বল।  বলতে পারলেও হয়ত লিখতে পারে না। একই সমস্যা বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, মেদিনীপুর, জলপাইগুড়ির আদিবাসীদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। নেপালি বা হিন্দি ভাষীদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। তারা কি রাজ্য সরকারের চাকরি পাবে না ? সরকার নিজের অবস্থান স্পষ্ট করুক । যারা ডব্লু বি সি এসে এমন কৃতিত্ব দেখাল, যারা মেরিট লিস্টে জায়গা পেল, শুধুমাত্র ‘বাংলায় দুর্বল’ বলে তাদের ছেঁটে ফেলা হল। তাছাড়া, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে বলা আছে, কেউ ইচ্ছে করলে নিজের মাতৃভাষায় ইন্টারভিউ দিতে পারে। সংবিধানেও ভাষাগত সংখ্যালঘুদের অধিকারকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। পি এস সি-তে যেভাবে নিয়োগ হল, তা সংবিধান বিরোধী। এমনকি রাজ্য সরকার নিজের তৈরি আইন নিজেই এক্ষেত্রে লঙ্ঘন করেছে।

 

কেন পি এস সি-র চেয়ারম্যানকে সরে যেতে হল, সেই প্রশ্নও তুলেছেন ভিক্টর। তাঁর কথায়, চেয়ারম্যান এইসব অনিয়ম মানতে চাননি। সেই কারণেই তাঁকে সরে যেতে হয়েছে। এতদিন পর্যন্ত সিনিয়র আই এ এস অফিসাকে পি এস সি চেয়ারম্যান করা হয়েছে। এবার প্রথা ভেঙে করা হল একজন রিটায়ার ডব্লু বি সি এস-কে। সমাজসেবীর তকমা নিয়ে কমিটিতে নেওয়া হয়েছে এক মন্ত্রীর ভাইকে। তিনি নাকি যাঁরা ইন্টারভিউয়ে ডাক পেয়েছেন, তাঁদের ঠিকানা চেয়েছিলেন। তা চেয়ারম্যান দিতে অস্বীকার করেন। কেন ঠিকানা চেয়েছিলেন, তা সহজেই অনুমান করা যায়। তাঁর নিজের শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন আছে। ইন্টারভিউ বোর্ডে তাঁর ভূমিকাও মোটেই সন্তোষজনক ছিল না। এসব থেকেই বোঝা যায়, সরকারের মোটেই সদিচ্ছা ছিল না। ইন্টারভিউ প্যানেলে মন্ত্রীর ভাই ছাড়া আর কাউকে নেওয়া গেল না ?

?????????

এসব নানা অসঙ্গতি তুলে ধরেছেন ভিক্টর। তাঁর কথায়, ‘কী কী অনিয়ম হয়েছে, সাদা চোখেই বোঝা যাচ্ছে। বিচারপতিরা বিচক্ষণ মানুষ। তাঁদের কাছে বিষয়টা আরও পরিষ্কার হয়ে যাবে। প্রতিটি ক্ষেত্রে তাঁরা সরকারের ন্যক্কারজনক ভূমিকা দেখছেন। তাই সরকারের উদ্দেশ্য কী, তা তাঁদেরও অজানা নয়। কাল একটা ঐতিহাসিক রায়ের দিকে তাকিয়ে আছে সেই মেধাবী ছাত্ররা, যাঁরা সমস্ত যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও প্যানেল থেকে বাদ পড়লেন। শুধু তাঁরা নয়, ভাষাগত সংখ্যালঘুদের অধিকার প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে মাইলস্টোন হতে পারে আদালতের রায়।’

Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

11 + two =

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

error: Content is protected !!
game of thrones season 7 episode 1 game of thrones season 7 watch online game of thrones season 7 live streaming game of thrones season 7 episode 1 voot voot apk uc news vidmate download flipkart flipkart flipkart apk cartoon hd cartoonhd cartoon hd apk cartoon hd download 9Apps 9Apps apk