Loading...
You are here:  Home  >  রাজনীতি  >  রাজ্য  >  Current Article

এবার ভোটের হাওয়া কোনদিকে?

By   /  May 5, 2016  /  No Comments

রাহুল বিশ্বাস

বিধানসভা অথবা লোকসভা, প্রতিটি নির্বাচনের সময়েই উৎসাহী মানুষরা হাওয়া বোঝার চেষ্টা করে। মানে অনুমান করতে চেষ্টা করে কে ক্ষমতায় আস্তে চলেছে। সেই অনুমান কখনও মেলে কখনও মেলে না। যেমন ২০১১ তে তৃণমূল ক্ষমতায় আসবে এটা সবারই জানা ছিল। ২০১৪তে বিজেপি ক্ষমতায় আসবে এটা সবাই বুঝতে পেরেছিল। আবার ২০০৪ সালে কেন্দ্রে কংগ্রেস ক্ষমতায় আসবে তা কেউ ভাবেনি। ভোটের ফল সবাইকে চমকে দিয়েছিল।

অনুমান মিলুক বা নাই মিলুক, প্রতিবারই বাসে ট্রেনে লোকের মুখে শোনা যায় অমুক দল জিতবে। কিন্তু এবারের বিধানসভা নির্বাচনে কেউই কিছু বলতে পারছে না। সবাই বলছে, “ঠিক বুঝতে পারছি না।” এই পরিস্থিতিতেই বাজারে নানান গুজব রটছে। নানা কাল্পনিক সমীক্ষার ফল সামনে আসছে। এসব সমীক্ষা কারা করব কবে করল তা কেউ জানে না।

vote6

সত্যি কথা বলতে কি, সবজান্তা সাংবাদিকরাও জানে না এবার কি হবে। জানবে কি করে? সাংবাদিকরা নানা জায়গা থেকে খবর জোগাড় করে আপনাকে জানায়। কেউ যদি মুখ না খোলে তা হলে সাংবাদিকরা খবর পাবে কি করে?
তাই সাংবাদিকদের ওপর ভরসা না করে, আপনি নিজেই খবর জোগাড় করার চেষ্টা করুন। সবথেকে বিশ্বস্ত খবর পাওয়া যায় কথা থেকে? জেনে রাখুন সবথেকে ভালো খবর পাওয়া যায় পুলিসের কাছ থেকে, সমাজবিরোধীদের কাছ থেকে আর বেশ্যাপাড়া থেকে।

এর মধ্যে পুলিশকে নিয়ে সব জায়গাতেই কথা হচ্ছে। পুলিশ নিরপেক্ষ হয়ে গেছে। দারুন কাজ করছে ইত্যাদি। সবাই বলছে পুলিশ পালাবদলের গন্ধ পাচ্ছে। সমাজবিরোধীদের নিয়ে সরাসরি কথা হচ্ছে না, কিন্তু মুখ্যমন্ত্রীকে নিয়ে কথা হচ্ছে। ভোট যত গড়াচ্ছে ততই তিনি ভুলভাল বকছেন, শুনে মনে হচ্ছে তিনি হার মেনে নিয়ে অজুহাত তৈরি করছেন। তিনি নিজেই এককালে বলেছিলেন যে তিনি গুণ্ডাদের কন্ট্রোল করেন। তাঁর মানে গুণ্ডাদের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ আছে। হয়তো তাঁদের কাছ থেকেই তিনি বিপদের খবর পেয়েছেন।
বাকি রইল বেশ্যাপাড়া। এখানে গিয়ে খবর সংগ্রহের ঝুকি না নেওয়াই ভালো। তাই নজর রাখুন বুদ্ধিজীবীদের দিকে। কথায় আছে, বুদ্ধিজীবীদের সঙ্গে দেহজিবিদের বিশেষ তফাৎ নেই। আপনিই বলুন, টলিউডের বুদ্ধিজীবীরা কি আর আগের মতো দিদিমণির পাশে দাঁড়াচ্ছেন? আগেরবার দেবের হয়ে গোটা টালিগঞ্জ গলা ফাটিয়েছিল। এবার সোহমের হয়ে কে কে প্রচারে গেল? দেবশ্রী চিরঞ্জিতের পাশে কারা কারা আছে? শতাব্দী,মিঠুন, সন্ধ্যা কোথায়? যারা নাটক করে, ছবি আঁকে, গান গায়, কবিতা লেখে– এই ভরা রাজনীতির বাজারে তারা গেলেন কোথায়? কেন তাঁরা ফুলে ফুলে ঢলে ঢলে পড়ছেন না?

vote4

একইসঙ্গে নজর রাখুন মিডিয়ার দিকে। জেনে রাখুন বুদ্ধিজীবীদের সঙ্গে বা দেহজিবিদের সঙ্গে এঁদেরও বিশেষ তফাৎ নেই। এঁরা সবার আগে টের পায় কোন বাবুর গায়ে গা ঘষলে বেশি সুবিধা পাওয়া যাবে।
ভোটের আগে বাংলায় তিন প্রকার মিডিয়া ছিল। তৃণমূল বিরোধী, যেমন আনন্দবাজার, এবিপি আনন্দ। তৃণমূলপন্থী যেমন ই টিভি, বাংলা টাইমস। এবং যারা আগে তৃণমূল বিরোধী ছিল কিন্তু ভোটের আগে তৃণমূলপন্থী হয়েছে, যেমন ২৪ ঘণ্টা, বর্তমান।
কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে, সবাই সমস্বরে তৃণমূল বিরোধী খবর করছে। ই টিভিও প্রতি মুহূর্তে তৃনমূলি সন্ত্রাসের খবর দেখাচ্ছে। কেন দেখাচ্ছে? তারা কিসের গন্ধ পেল?
এইসব প্রশ্নগুলোর উত্তর খোঁজার চেষ্টা করুন। তাহলেই বুঝতে পারবেন এবার ভোটের হাওয়া কোনদিকে। অন্যের কথা না শুনে নিজের বুদ্ধি কাজে লাগান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

seven − three =

You might also like...

radio3

না বোঝা সেই মহালয়া

Read More →
game of thrones season 7 episode 1 game of thrones season 7 watch online game of thrones season 7 live streaming game of thrones season 7 episode 1 voot voot apk uc news vidmate download flipkart flipkart flipkart apk cartoon hd cartoonhd cartoon hd apk cartoon hd download 9Apps 9Apps apk