Loading...
You are here:  Home  >  বিনোদন  >  Current Article

সেন্সর বোর্ডে কারা থাকেন? কীভাবে কাজ হয় ?

By   /  June 14, 2016  /  No Comments

সেন্সর বোর্ড নিয়ে গত কয়েকদিনে নানারকম বিতর্ক। এটা কীভাবে গঠিত হয়, কারা এর সদস্য, কীভাবে এই সংস্থা কাজ করে, তা নিয়ে দু-চার কথা আলোচনা করা হল। লিখেছেন দিব্যেন্দু দে।।

১) কারা সদস্য হবেন, পুরোটাই নির্ভর করে কেন্দ্রীয় সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রকের উপর। আলাদা করে কোনও যোগ্যতার কথা বলা নেই। বিভিন্ন পেশার মানুষদের নেওয়া যেতে পারে। শিক্ষক, আইনজীবী, অভিনেতা, খেলোয়াড়ও এর সদস্য হতে পারেন। তবে যেহেতু পুরোটাই কেন্দ্রীয় সরকারের অধীন, তাই উপরতলার যোগাযোগের উপর অনেকটাই নির্ভর করে। রাজনৈতিক আনুগত্যও গুরুত্ব পায়।

২) আপাতত কমিটিতে রয়েছেন ৩৮ জন। তবে একসঙ্গে ৩৮ জন বসে সিদ্ধান্ত নেন, এমন নয়। শীর্ষে রয়েছেন পহলাজ নিহালনি। তাঁর নিচে এগজামিন কমিটি। নিয়ম অনুযায়ী, এক চতুর্থাংশ মহিলা সদস্য রাখা হয়। বিভিন্ন আঞ্চলিক কমিটি আছে। আঞ্চলিক ভাষার ছবির ক্ষেত্রে মূলত তাঁরাই সিদ্ধান্ত নেন।

censor2
৩) ছবি জমা হওয়ার পর আঞ্চলিক কমিটির অন্তত পাঁচজন ছবিটি দেখবেন। তারপর তাঁরা পরিচালকের সঙ্গে কথা বলেন। ইউ, ইউ এ, এ – এই তিনটি ক্যাটাগরি দেওয়া হয়। যেটা যে কেউ দেখতে পারে, সেটা ইউ। যেটা বারো বছরের কম বয়সীরা দেখতে পারে না, সেটা ইউ এ। আর যেটা শুধু প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য, সেগুলোকে ‘এ’ দেওয়া হয়।

৪) অনেকের ধারণা, শুধু অশ্লীল দৃশ্য থাকলেই বোধ হয় ‘এ’ চিহ্ন দেওয়া হয়। তা নয়। মারামারি বা হিংসার দৃশ্য থাকলেও ‘এ’ চিহ্ন দেওয়া হয়। কোনও পরিচালক যদি ‘এ’ তকমা না নিতে চান, তখন তাঁকে আপত্তিকর কিছু দৃশ্য বাদ দিতে বলা হয়।

৫) এগজামিন কমিটির সিদ্ধান্ত যদি পরিচালকের পছন্দ না হয়, তিনি রিভিউ কমিটিতে যেতে পারেন। রিভিউ কমিটি নতুন করে ছবিটি দেখবে। তাদের রায়েও যদি পরিচালক সন্তুষ্ট না হন, সেক্ষেত্রে তিনি দিল্লিতে এফক্যাটের কাছে আবেদন করতে পারেন। সেই রায়েও সন্তুষ্ট না হলে কোর্টে যাওয়ার রাস্তা খোলা।

censor3

৬)প্রচলিত গালাগালি সাধারণত বাদ দেওয়া হয় না। কিন্তু আপত্তিকর গালাগালি থাকলে, তা অনেকসময় বাদ দিতে বলা হয়। নইলে, ওই জায়গায় ‘বিপ’ আওয়াজ দেওয়া হয়।

৭) কিছু কিছু দৃশ্য বাদ দেওয়ার নির্দেশ আছে। এমনকি কোনও ছবির বিষয় যদি খুব আপত্তিকর হয়, সেক্ষেত্রে পুরো ছবিকেই বাতিল করার কথা আইনে বলা আছে। যেমন, সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা বা হিংসা ছড়াতে পারে, এমন ছবি পাস করানো হয় না। কোনও বিশেষ ধর্মকে ছোট করা হলে, সেই ছবি পাস হবে ন। নারী বা শিশুকে ছোট করে দেখানো হয়েছে, বা শিশুদের উপর যৌনতা বা হিংস্রতা দেখানো চলে না। শরীরে ড্রাগ ইনজেক্ট করা হচ্ছে, এমন দৃশ্যও রাখা চলে না।

(লেখিকা একজন তথ্যচিত্র পরিচালক)

Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

two × 3 =

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

error: Content is protected !!
game of thrones season 7 episode 1 game of thrones season 7 watch online game of thrones season 7 live streaming game of thrones season 7 episode 1 voot voot apk uc news vidmate download flipkart flipkart flipkart apk cartoon hd cartoonhd cartoon hd apk cartoon hd download 9Apps 9Apps apk