Loading...
You are here:  Home  >  কলকাতা  >  Current Article

ডার্বির আগে কোথায় দাঁড়িয়ে ইস্টবেঙ্গল?‌

By   /  April 6, 2017  /  No Comments

দুয়ারে কড়া নাড়ছে ডার্বি। ঠিক কোন জায়গায় দাঁড়িয়ে ইস্টবেঙ্গল?‌ কোথায় এগিয়ে, কোথায় দুশ্চিন্তা?‌ লাল হলুদ শিবিরের ছবিটা তুলে ধরলেন নির্মল দত্ত।। 

এটা উদ্বাস্তুদের এক বিশেষ গুন। বিশেষ বিশেষ সময়ে ঐক্যবদ্ধ হয়ে যাওয়া। বিশ্বের সর্বত্রই এমনটা ঘটে, এমনকী ফুটবল মাঠেও। আর এতেই মানসিক প্যারালিসিস হয়ে যায় প্রতিপক্ষের। এই কদিন ধরে ইস্টবেঙ্গলের কর্তাদের খেয়োখেয়ি নিয়ে বিস্তর লেখালেখি হল, ডার্বি যতই এগিয়ে আসছে, ঐক্যবদ্ধতার ছবিটাও ততই গাঢ় হচ্ছে। ক্লাবে উকি মেরে দেখা গেল, সেই ‘‌মাইরা ফেলুম, কাইটা ফেলুম’‌ মানসিকতাটা ফিরতে শুরু করেছে। ডার্বিতে কারা এগিয়ে?‌ অবশ্যই মোহনবাগান। এটা মোহনবাগানিদের যতটা আনন্দ দেবে, তার থেকে অনেক বেশি বিষাদগ্রস্থ করবে ডার্বির আগে মোহনবাগান এগিয়ে থাকলে তার ফল কী হয় সেই উদাহরণ হাজির করলে। মোহন কর্তারা ম্যাচ শুরুর আগেই ইস্টবেঙ্গলকে এগিয়ে দিয়েছেন। ইস্টবেঙ্গলের খাসতালুক শিলিগুড়িতে হোম ম্যাচ করা মস্ত ভুল। জবরদস্তি করেও যদি লাল হলুদ সমর্থকদের মাঠে বেশি ঢুকতে না দেওয়া হয় (‌যেমনটা ১৯৭৬ সালের বড় ম্যাচে হয়েছিল)‌ তাতে কিছু যায় আসে না। মাঠের বাইরে অসংখ্য ইস্টবেঙ্গলি থাকবে। শিলিগুড়িতে খেলা মানে সমর্থক সংখ্যায় বিস্তর এগিয়ে ইস্টবেঙ্গল।

morgan2

যতই গাল দেওয়া হোক, এই বিশেষ ম্যাচটাতে হিরো হয়ে যেতে পারেন মর্গান। কারণ, তিনি বেশ ভালই জানেন যে, ডার্বি না জিতলে কলকাতার দরজা চিরতের চিচিং বনধ হয়ে যেতে পারে তাঁর জন্য। তাই আশা করা যায় তিনি গোঁয়ার্তুমির পথে হাঁটবেন না। একজন নিরপেক্ষ কোচ হিসেবেই টিমলিস্ট তৈরি করবেন। জ্যাকি চাঁদরা এই ম্যাচে শুধু মোহনবাগানই নয়, খেলতে নামবেন তাঁদের কোচকে জবাব দেওয়ার জন্যও।

বিদেশিদের বিষয়ে আসা যাক। আই লিগের শুরুতে উইলস প্লাজা যতটা নজর কেড়েছিলেন, এখন অনেকটাই নিষ্প্রভ। মরশুমের শেষবেলায় নিজেকে প্রমাণ করার তাগিদ থাকবে তাঁরও। শুরুতেই যদি দু–‌একবার মোহনবাগান রক্ষণে চিড় ধরিয়ে দিতে পারেন, তাহলে মোহন রক্ষণ ব্যস্ত থাকবে তাঁকে নিয়ে। তালেগোলে গোলের সুযোগ এসে যাবে অরক্ষিত পেইনের কাছে। ১৯৭৬ সালে কেষ্ট মিত্র যে ভুলটা করেছিলেন, পেইন যদি তা না করেন, তাহলে বিপদ বাড়বে সবুজ মেরুনের। ওয়েডসন যদি নিজের খেলার পঞ্চাশ ভাগও দিতে পারেন, তাহলে গোল পেতে সমস্যা হবে না ইস্টবেঙ্গলের। কিন্তু বিপদ হল গোলকিপার আর রক্ষণের ত্রুটি। বুকেনিয়াকে আরও আত্মবিশ্বাসী হতে হবে। আর একটা কথা। ভাবতে কষ্ট হয়, এই ক্লাবে একসময় সনৎ শেঠ, থঙ্গরাজ, তরুণ বসু, ভাস্কর গাঙ্গুলিরা গোল আগলেছেন।

যাই হোক, ইস্টবেঙ্গলের মোক্ষম সুবিধা, বহুদিন ম্যাচ না খেলা। টিমটাকে নিয়ে হোমওয়ার্ক করতে কালঘাম ছুটে যাবে বিপক্ষ কোচের। তাছাড়া মাঝে খেলতে হলে কার চোট লাগত, কে কার্ড দেখে বসে থাকতেন, কে জানে!‌ ওদিকে, মোহনবাগান সম্পর্কে পুরোদস্তুর ওয়াকিবহাল মর্গান। সবমিলিয়ে ডার্বি টার্নিং পয়েন্ট হতে চলেছে ইস্টেবঙ্গলের কাছে। এই ম্যাচটা জিতলে শুধু মর্যাদার লড়াইয়ে নয়, পয়েন্টের লড়াইয়েও অনেকটা এগিয়ে যাবে। শুধু কর্তারা একটু ঐতিহ্যটা বজায় রাখুন। এই কটা দিন শিকেয় তুলে রাখুন ভেদাভেদ, মতপার্থক্য। ‌

1

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

18 + six =

You might also like...

amstrong3

চাঁদে কি সত্যিই মানুষ গিয়েছিলেন ?

Read More →
game of thrones season 7 episode 1 game of thrones season 7 watch online game of thrones season 7 live streaming game of thrones season 7 episode 1 voot voot apk uc news vidmate download flipkart flipkart flipkart apk cartoon hd cartoonhd cartoon hd apk cartoon hd download 9Apps 9Apps apk