Loading...
You are here:  Home  >  ওপেন ফোরাম  >  Current Article

ঋতব্রতকে নিয়ে বিচলিত না হলেও চলবে

By   /  August 21, 2017  /  No Comments

সুরজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়

বোঝা যাচ্ছে, দলের সামনে তেমন কাজকম্ম নেই। তাই উল্টোপাল্টা চিন্তা, উল্টোপাল্টা উদ্বেগ তাড়া করে বেড়ায়। আসল সমস্যাগুলোকে পাশ কাটিয়ে নকল সমস্যাগুলোই বড় হয়ে ওঠে।
ঋতব্রত ব্যানার্জির ক্ষেত্রেও সেটাই হচ্ছে। সামান্য একটা বিষয়কে অহেতুক জটিল চেহারা দেওয়া হল। ধরেই নিলাম, ঋতব্রতর জীবনে কিছু বিচ্যুতি এসেছিল। সেটা কি এতটাই যে শুধরে নেওয়া যেত না?‌ এইমুহূর্তে দলের মধ্যে ঋতব্রতর মূল প্রতিপক্ষ কে?‌ উত্তরটা অজানা নয়। মোটামুটি যাঁরা একটু খোঁজখবর রাখেন, তাঁরা প্রায় সকলেই জানেন। কী আশ্চর্য!‌ তদন্ত কমিশন গঠন করা হল। আর সেই মানুষটিকেই তার শীর্ষে বসিয়ে দেওয়া হল। অর্থাৎ, যিনি নিজে একটি পক্ষ, তিনিই হয়ে গেলেন বিচারক। শোনা যায়, তিনি নাকি বহিস্কারই চেয়েছিলেন। যিনি আগেই সিদ্ধান্ত নিয়ে বসে আছেন, তিনি হয়ে গেলেন বিচারক।
সহজ কথা, তাঁকে সতর্ক করা যেত। শুধরে নেওয়া যেত। অন্তত চেষ্টা করা যেত। তাঁর বিরুদ্ধে কী কী অভিযোগ, সরাসরি তাঁকেই বলা যেত। এটা নিয়ে এত নগরকীর্তন না করলেও চলত। শৃঙ্খলা থাকুক। কিন্তু সেই শৃঙ্খলা মানারও একটা শৃঙ্খলা থাকা দরকার। ধরেই নিলাম, ঋতব্রতর জন্য রাজ্য কমিটির আলোচনার খবর বেরিয়ে আসছে। কিন্তু তিনি তো সম্পাদকমণ্ডলীতে নেই। তাহলে সেই খবর বেরিয়ে আসছে কেন?‌ কেন্দ্রীয় কমিটি বা পলিটব্যুরোর আলোচনাও গোপন থাকছে না। এক্ষেত্রে নিশ্চয় এই তরুণ সাংসদকে দায়ী করা যায় না।

ritabrata5
তাঁকে রাজ্য কমিটি থেকে বাদ দিয়েই শেষ হল না। দলের একটি বিশেষ অংশ নানা অপপ্রচার চালিয়ে গেলেন। এমনকী এখন তাঁরা নতুন উদ্বেগ দেখছেন। ঋতব্রত নাকি বিজেপিতে যেতে পারেন। হঠাৎ এরকম অনুমানের কারণ?‌ কয়েকটি যুক্তি সাজানো হয়েছে। ১)‌ তিনি দলের কর্মসূচিতে আসছেন না। ২)‌ দিল্লিতে বেশিরভাগ সময় কাটাচ্ছেন। ৩)‌ সংসদে অরুণ জেটলির সঙ্গে কথা বলতে দেখা গেছে। ৪)‌ পার্টি অফিসেও বিশেষ আসছেন না। ইত্যাদি ইত্যাদি। এক এক করে উত্তর দেওয়া যাক। ১)‌ দলের কর্মসূচিতে আসতে দলই তো মানা করেছে। বরং এই অবস্থায় মিটিং মিছিলে এলে সেটাই শৃঙ্খলাভঙ্গ হবে। ২)‌ রাজ্যে থাকাটা কিছুটা হলেও অস্বস্তিকর। নানা প্রশ্ন ধাওয়া করবে। নানা লোকের নানা কৌতূহল। সেগুলো এড়াতে যদি সাময়িকভাবে দিল্লিতে থাকেন, অসুবিধা কোথায়?‌ ৩)‌ পার্টি অফিসে এলেও সেই এক আলোচনা। অনেকেই জিজ্ঞেস করবেন। ঋতব্রতকেও পাল্টা হয়ত দু এক কথা বলতে হবে। এতে জটিলতা আরও বাড়বে। ৪)‌ তিনি এখনও রাজ্যসভার সাংসদ। বেশ কৃতী সাংসদ। সব দলের লোকেরাই ভালবাসেন, স্নেহ করেন। বিভিন্ন কমিটির মিটিংয়েও থাকতে হয়। সেখানে অনেকের সঙ্গেই সৌজন্য বিনিময় হয়। যদি অরুণ জেটলির সঙ্গে কথা বলেই থাকেন, এতে অসুবিধার কী আছে?‌ কোনও গোপন বৈঠক তো আর করেননি।
তবুও জল্পনা থেমে নেই। নিজের নিয়মেই ছড়াচ্ছে। সেই গুজবে হাওয়া দেওয়া হচ্ছে দলের তরফ থেকেই। ঋতব্রতকে না হয় চিহ্নিত করা গেল। কিন্তু বাকিদেরও চিহ্নিত করা দরকার।

sejuti-banner27082017

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

two × 2 =

You might also like...

taxi

হাওড়া স্টেশন নিয়ে প্রশাসনের হেলদোল নেই

Read More →
game of thrones season 7 episode 1 game of thrones season 7 watch online game of thrones season 7 live streaming game of thrones season 7 episode 1 voot voot apk uc news vidmate download flipkart flipkart flipkart apk cartoon hd cartoonhd cartoon hd apk cartoon hd download 9Apps 9Apps apk