Loading...
You are here:  Home  >  ওপেন ফোরাম  >  Current Article

যুবভারতী:‌ ঝলসানো আলোর তলায় জমাট অন্ধকার

By   /  October 30, 2017  /  No Comments

এই রাজ্য থেকে দেশের হয়ে কজন ফুটবল খেলেছেন?‌ তাঁদের মধ্যে কজন টিকিট পেলেন?‌ উত্তর নেই। রাজ্য সরকার কত টিকিট তুলে নিল?‌ কাদের মধ্যে বিলি করল?‌ তারও উত্তর নেই। যুবভারতীর এত আলোর ঝলকানির মাঝেও জমাট এইসব অন্ধকার। লিখেছেন অমিত ভট্টাচার্য।  
ফিফা নাকি দারুণ খুশি। যুব বিশ্বকাপে যুবভারতী যেভাবে মাঠ ভরালো, ফিফা কর্তাদের আপ্লুত হওয়ারই কথা। ভারত নামে দেশটা র‌্যাঙ্কিংয়ে যতই পিছিয়ে থাক, ফুটবলকে ঘিরে উন্মাদনায় যে কোনও দেশকেই টেক্কা দিতে পারে। আর কলকাতা তো বরাবরই ফুটবলের মক্কা।
কিন্তু চারিদিকে মিডিয়ার শোরগোল শুনে মনে হচ্ছে, এই প্রথম বোধ হয় যুবভারতীতে এত লোক হল। আগে বোধ হয় এমনটা হত না। যা হযেছে, সবই ‘‌মমতা ব্যানার্জির অনুপ্রেরণা’‌য়। কোনও সরকারি প্রচার ও হোর্ডিং ছাড়াই যুবভারতীতে আশি হাজার, নব্বই হাজার লোক হয়েছে। এমনকী মিডিয়া হাইপও দরকার হয়নি। যে ম্যাচে জিতলেও কারও চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সম্ভাবনা নেই, সেই ম্যাচেও হেসে খেলে সত্তর–‌আশি হাজার লোক। কিন্তু চারপাশের গুঞ্জন শুনলে মনে হবে, এই প্রথম এত লোক হল।

world cup
ফাইনালের টিকিট নিয়ে হাহাকার। পাঁচ হাজার টাকাতেও নাকি বিক্রি হয়েছে। কিন্তু সেই টিকিট কাদের হাতে চলে গেল?‌ এই দেশের হয়ে কজন ফুটবল খেলেছেন?‌ জীবিত ফুটবলারের সংখ্যা কত?‌ আই এফ এ–‌র কাছে আদৌ সেই তালিকা আছে তো?‌ সংখ্যাটা দুশোর আশেপাশে হতে পারে। তাঁদের অন্তত একটা করে টিকিট দেওয়া গেল না?‌ কজন জাতীয় ফুটবলার টিকিট পেয়েছেন?‌ এমনকী এই যুব বিশ্বকাপেও বাংলার যে ছেলেটি খেলল, সেই অভিষেক দাসকেও কোনও টিকিট দেওয়া হয়নি। তাহলে এত টিকিট গেল কোথায়?‌
বলা হচ্ছে অনলাইন। কিন্তু কজন অনলাইনে কাটতে পেরেছেন, সন্দেহ আছে। অফলাইনে একটি টিকিটও বিক্রি করা যায়নি। অনলাইনে শুরুর দিকে কেউ কেউ পেয়েছেন। পরে সেগুলিও ব্লক করে দেওয়া হয়। সত্যিই কজন অনলাইনে কেটেছেন, সেই তথ্য কি সামনে আনা হবে?‌ সম্ভবত আনা হবে না। কারণ, তাহলে বেরিয়ে পড়বে সরকারের ঘরে কত টিকিট গেছে। যা শোনা যাচ্ছে, খুব কম করে হলেও হাজার পঁচিশেক টিকিট থেকেছে সরকারের ঘরে। আর সরকার আর পার্টির ফারাক তো নেই বললেই চলে। নবান্নে দিব্যি দলীয় মিটিং হয়, দিব্যি তৃণমূলে যোগ দেওয়ার অনুষ্ঠানও হয়।
স্টেডিয়ামের সংস্কারে সরকারের নিশ্চয় বড় ভূমিকা আছে। সরকারি দপ্তর কিছু টিকিট দাবি করতেই পারে। কিন্তু কত?‌ কোন দপ্তরে কত টিকিট দেওয়া হয়েছে?‌ সেই দপ্তর থেকে কী মানদন্ডে কাদের দেওয়া হয়েছে?‌ এগুলো সামনে আসাটা জরুরি। কিন্তু এগুলি কখনই সামনে আসবে না। এলে, যুবভারতীর এত আলোর মাঝেও অন্ধকারের ছবিটা বেআব্রু হয়ে যাবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

five × 3 =

You might also like...

taxi

হাওড়া স্টেশন নিয়ে প্রশাসনের হেলদোল নেই

Read More →
game of thrones season 7 episode 1 game of thrones season 7 watch online game of thrones season 7 live streaming game of thrones season 7 episode 1 voot voot apk uc news vidmate download flipkart flipkart flipkart apk cartoon hd cartoonhd cartoon hd apk cartoon hd download 9Apps 9Apps apk