Banner Block 1

ওয়েব সিরিজ আসলে মেগা সিরিয়ালেরই নতুন সংস্করণ

ভাল কনটেন্ট অবশ্যই স্বাগত। নতুন প্রযুক্তি থেকেও মুখ ফিরিয়ে থাকার উপায় নেই। কিন্তু সেই প্রযুক্তির হাত ধরে, নতুন ধারার হাত ধরে আবার যদি সেই বিষবাষ্প ঢুকে পড়ে, তা বেশ উদ্বেগের। ওয়েব সিরিজের শুরুর দিনগুলোয় কিছুটা স্বস্তি পাওয়া গিয়েছিল, যাক, সিরিয়ালের কূটকচালি থেকে কিছুটা অন্তত মুক্তি পাওয়া গেল। কিন্তু গত কয়েক বছরে আস্তে আস্তে ওয়েব সিরিজেরও সিরিয়ালীকরণ হয়ে গেল। ভাল ছবিকে যেমন আর্ট ফিল্ম বলে দাগিয়ে দেওয়া হত, এখানেও ভাল কনটেন্ট আবার সেই সংখ্যালঘু হয়ে পড়বে না তো!‌

পঞ্চায়েতের মতোই, গ্রাম চেনার সহজ পাঠ

‘পঞ্চায়েত’-এর মতোই এখানে গ্রাম আছে, কিন্তু এই গ্রামের দরজা দিয়ে ঢুকে পড়তে হয় আরও গভীরে। প্রশাসন নয়, এখানে আলোচনার কেন্দ্রে স্বাস্থ্য। হাসপাতাল নয়, আসলে আলোচনার কেন্দ্রে মানুষ। আর সেই মানুষগুলির সঙ্গে পরিচিত হতে গিয়েই সিরিজটি একসময় নিছক বিনোদন থাকে না। শহরের মানুষ হিসেবে আমরা গ্রামের কথা বলি। গ্রামকে ভালোবাসার কথাও বলি। কিন্তু কতটা চিনি?

তের পার্বণ:‌ চার দশকের ইতিকথা

কথা ছিল তেরো পর্বে শেষ হবে। কিন্তু শেষমেশ তা ৩৯ পর্ব পর্যন্ত চলেছিল। আরও চালিয়ে যাওয়ার দাবি উঠেছিল। হয়ত অনুমোদনও পাওয়া যেত। কিন্তু অহেতুক কাহিনিকে বাড়াতে চাননি পরিচালক।

শুভেন্দুর চিৎকার আসলে ভীরুতা, স্বপনের নম্রতাই আসল সাহসিকতা

বুঝিয়ে দিলেন, নম্র স্বরেও সাহসিকতা লুকিয়ে থাকে। মুখ্যমন্ত্রী যতই দু’‌বাহু তুলে আস্ফালন দেখিয়ে থাকুন, পুলিশের বলে বলীয়ান হয়ে যতই হুমকি দিন, দিন দিন তাঁকে কেমন যেন ভীরু ও কাপুরুষ মনে হচ্ছে। ভীরুরাই বেশি জোরে চিৎকার করে। এই মন্ত্রিসভায় সাহসী যদি কেউ থেকে থাকেন, তিনি স্বপন দাশগুপ্ত। অন্তত পুজোর চারটে দিনে এই সত্যিটা প্রতিষ্ঠিত হয়ে গেল।