ফলটা কী হল? বন্দেমাতরম গাওয়া হচ্ছে, কারও ঠোঁট নড়ছে না। এতে দেশের সম্মান বাড়ল? কার মুখ পুড়ল? এবার হয়তো বোর্ড মারফত ফতোয়া আসবে, ওই গান গাইতে না পারলে ভারতীয় দলেই আর নেওয়া হবে না। খেলোয়াড়রা ব্যাটিং বোলিং প্র্যাকটিস না করে সারাদিন বন্দেমাতরম মুখস্ত করবেন।
উঠতি তৃণমূলদের নিয়ে যেমন সমস্যা ছিল, হঠাৎ উড়ে এসে জুড়ে বসা বিজেপিদের নিয়েও বিড়ম্বনা কম নয়। তাঁদের হুঙ্কার দিতে হয়। ফতোয়া জারি করতে হয়। শারদোৎসব লেখা থাকলে সিপিএমের স্টল করতে দেওয়া যাবে না, সরাসরি বিধানসভা থেকে এমন হুঙ্কার দিতে হয়। কোন পুজোয় কার স্টল থাকবে, সেটাও মুখ্যমন্ত্রী ঠিক করে দেবেন? একদিকে দম্ভ, অন্যদিকে সীমাহীন অজ্ঞতা, কোনটার পাল্লা ভারী, বলা মুশকিল।